BCS
N/A
ফলাফল: N/A
পুলিশ আইন, ১৮৬১ এবং পিআরবি, ১৯৪৩ (The Police Act, 1861 & Police Regulation of Bengal, 1943)
প্রার্থী: বেনামী (সংগৃহীত নোট)
বিষয়: পুলিশ সার্ভিস (Police Choice)
জেলা: N/A
বোর্ড: N/A
ক্যাডার পছন্দের তালিকা
1. BCS Police
বোর্ডের প্রশ্ন ও উত্তর
প্র
Board Member 1
পুলিশ আইন, ১৮৬১ (The Police Act, 1861) সম্পর্কে সংক্ষেপে বলুন। এর মোট ধারা কয়টি?
প্র
Candidate
পুলিশ আইন, ১৮৬১ এর অধীনে বাংলাদেশ পুলিশ গঠিত হয়। এই আইনের মোট ধারা ৪৭টি।
প্র
Board Member 1
পুলিশ আইনের গুরুত্বপূর্ণ ধারাগুলো কী কী? বিশেষ করে ধারা ২, ৪, ৫, ৭, ১২, ১৩ এবং ১৭ সম্পর্কে বলুন।
প্র
Candidate
পুলিশ আইনের গুরুত্বপূর্ণ ধারাগুলো নিচে উল্লেখ করা হলো:
১. ধারা - ২: পুলিশ বাহিনী গঠন।
২. ধারা - ৪: দেশের সকল অংশের পুলিশের সকল প্রশাসনিক ক্ষমতা ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (IGP) এবং সরকারের অনুমোদনক্রমে বিশেষ কোনো ডেপুটি বা সহকারী ইন্সপেক্টর জেনারেলদের উপর অর্পিত হবে। জেলার পুলিশ প্রশাসন ব্যবস্থা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিয়ন্ত্রণাধীনে জেলা সুপারিনটেনডেন্ট (SP) বা সরকারের সিদ্ধান্তক্রমে কোনো সহকারী সুপারিনটেনডেন্টের উপর ন্যস্ত থাকবে।
৩. ধারা - ৫: মহাপুলিশ পরিদর্শক ও অন্যান্য পুলিশের ক্ষমতা ও প্রয়োগ।
৪. ধারা - ৭: পুলিশের শাস্তির বিধান।
৫. ধারা - ১২: ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশের বিধি-বিধান প্রণয়নের ক্ষমতা।
৬. ধারা - ১৩: অতিরিক্ত পুলিশ নিয়োগ।
৭. ধারা - ১৭ (বিশেষ পুলিশ নিয়োগ ও কমিউনিটি পুলিশিং): বেআইনি জনতা বা দাঙ্গা প্রতিরোধকল্পে স্পেশাল পুলিশ নিয়োগ করা যাবে। কমিউনিটি পুলিশিং হচ্ছে অপরাধ সমস্যা সমাধানে পুলিশ ও জনগণের যৌথ অংশীদারিত্ব প্রতিষ্ঠার একটি প্রতিরোধমূলক পুলিশি ব্যবস্থা।
প্র
Board Member 1
কমিউনিটি পুলিশিং বাংলাদেশে কবে এবং কীভাবে শুরু হয়?
প্র
Candidate
বাংলাদেশে ১৯৯২ সালে ময়মনসিংহ জেলায় পরীক্ষামূলকভাবে কমিউনিটি পুলিশিং চালু হয়। পরবর্তীতে ১৯৯৪ সালে ঢাকা মহানগরীর কাফরুল এলাকায় কমিউনিটি পুলিশিং চালু হয়। ২০০০ সালে সারা বাংলাদেশে কমিউনিটি পুলিশিং চালু হয়। কমিউনিটি পুলিশিং ব্যবস্থায় কমিউনিটির সদস্যগণ, সমাজের বিভিন্ন সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং পুলিশের অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতার ভিত্তিতে অপরাধ প্রতিরোধ ও জনগণের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
প্র
Board Member 1
পুলিশ আইনের ধারা ২২, ২৩, ২৪, ২৫, ২৯, ৩০, ৩১, ৩৪ এবং ৪৪ সম্পর্কে বলুন।
প্র
Candidate
এই ধারাগুলোর বিবরণ নিম্নরূপ:
১. ধারা - ২২: পুলিশ অফিসার সবসময় কর্তব্যরত।
২. ধারা - ২৩: পুলিশ অফিসারের দায়িত্ব ও कर्तव्य।
৩. ধারা - ২৪: যেকোনো পুলিশ অফিসার কোনো অপরাধ সম্পর্কে ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করতে পারবে।
৪. ধারা - ২৫ (বেওয়ারিশ সম্পত্তির হেফাজত ও দাখিল): কোনো স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির দাবিদার, ওয়ারিশদার বা মালিক খুঁজে পাওয়া না গেলে সে সকল সম্পত্তিকে বেওয়ারিশ সম্পত্তি বলে। আর চোরাই বলে কথিত বা সন্দেহযুক্ত বা কোনো অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত কোনো সম্পত্তিকে সন্দিগ্ধ সম্পত্তি বলে।
৫. ধারা - ২৯: কর্তব্য অবহেলায় স্পেশাল পুলিশের শাস্তি এবং পুলিশ কর্মচারীর শাস্তির বিধান।
৬. ধারা - ৩০: পুলিশ অফিসার সভা-সমাবেশ ও মিছিল নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।
৭. ধারা - ৩১: অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা।
৮. ধারা - ৩৪: জনসাধারণের রাস্তা ও ব্যবহৃত স্থানে অপরাধের ক্ষেত্রে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার।
৯. ধারা - ৪৪: জেনারেল ডায়েরি (GD)।
প্র
Board Member 1
পিআরবি (PRB) কী? এর পূর্ণরূপ এবং এর গুরুত্ব সম্পর্কে বলুন।
প্র
Candidate
PRB এর পূর্ণরূপ হলো Police Regulation of Bengal। পুলিশের কাজ, দায়িত্ব, পোশাক-পরিচ্ছদ, বেতন-ভাতা, পরীক্ষা, ছুটি, পদায়ন, বদলি ইত্যাদি কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য একটি নির্দেশিকা হলো পিআরবি। পুলিশ ব্যবস্থাপনা ও পদ্ধতিগত আইনের ব্যাখ্যাসহ সকল ধরনের পুলিশি কার্যকলাপ, সাংগঠনিক বিষয়, আন্তঃবিভাগীয় সম্পর্ক, শৃঙ্খলা ইত্যাদি বিষয় পিআরবিতে উল্লেখ রয়েছে বিধায় পিআরবিকে “পুলিশের বাইবেল” বলা হয়।
প্র
Board Member 1
পিআরবি কবে প্রণীত হয় এবং এর গঠন কেমন?
প্র
Candidate
১৮৬১ সালের পুলিশ আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী পিআরবি প্রণীত হয়। এটি ১৯২৭ সালে প্রথম প্রণীত ও প্রকাশিত হয়। ১৯৪৩ সালে তা সংশোধন ও সংযোজনসহ পরিবর্তন করা হয়। সংশোধনের সাথে জড়িত দুইজন আইজি হলেন আজিজুল হক ও আব্দুর রহিম। পিআরবিতে মোট ২৬টি অধ্যায়, ৬৪টি পরিশিষ্ট ও ৩টি খণ্ড রয়েছে। প্রথম খণ্ডে ১২৯০টি রেগুলেশন বা প্রবিধান, দ্বিতীয় খণ্ডে চার্ট ও এপেনডিক্স এবং তৃতীয় খণ্ডে সূচিপত্র রয়েছে।
প্র
Board Member 1
পিআরবি-এর গুরুত্বপূর্ণ প্রবিধানসমূহ (বিশেষ করে প্রবিধান ২ থেকে ১৫) সম্পর্কে বলুন।
প্র
Candidate
গুরুত্বপূর্ণ প্রবিধানসমূহ নিচে দেওয়া হলো:
১. প্রবিধান - ২: সাধারণ জেলা পুলিশ।
২. প্রবিধান - ৪: পুলিশের প্রশাসনিক বিভক্তি।
৩. প্রবিধান - ৬: বাংলাদেশ পুলিশের শাখাসমূহ।
৪. প্রবিধান - ৮: পুলিশ অফিসারদের পদমর্যাদা।
৫. প্রবিধান - ৯: অপরাধ তদন্ত বিভাগ (CID)।
৬. প্রবিধান - ১২: জেলা পুলিশ বাহিনীর সংগঠন।
৭. প্রবিধান - ১৩: কমিশনারের পদমর্যাদা।
৮. প্রবিধান - ১৪: আঞ্চলিক ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেলদের সাথে বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসকের সম্পর্ক।
৯. প্রবিধান - ১৫ (SP ও DC-এর সম্পর্ক): কোনো পুলিশ অফিসারের আচরণ ও যোগ্যতা ঐ জেলার সাধারণ প্রশাসনের ক্ষতি না করলে পুলিশ বাহিনীর অভ্যন্তরীণ সংগঠন ও শৃঙ্খলার ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ করার কোনো কর্তৃত্ব নেই। জেলা প্রশাসক যেকোনো পুলিশ অফিসারের আচরণ ও চরিত্র সম্পর্কে তদন্ত করার নির্দেশ দিতে পারেন এবং দলিলাদি তলব করে তা আইজিপি এবং ডিআইজির নিকট পাঠাতে পারেন। বিভাগীয় বিষয়সমূহ ছাড়া আইন ও কার্যপ্রণালী সম্পর্কে জেলা প্রশাসকের অনুমোদন ব্যতীত এসপি কোনো বিজ্ঞপ্তি বা সাধারণ আদেশ জারি করতে পারবেন না।
প্র
Board Member 1
পিআরবি-এর প্রবিধান ১৬, ১৭, ২৩, ৩৩, ৩৫ এবং ৩৬ সম্পর্কে বলুন।
প্র
Candidate
এগুলোর বিবরণ নিম্নরূপ:
১. প্রবিধান - ১৬: সুপারিনটেনডেন্ট জেলা প্রশাসকের সাথে সান্নিধ্য বজায় রাখবেন।
২. প্রবিধান - ১৭: সুপারিনটেনডেন্ট ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম। সুপারিনটেনডেন্ট ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের মধ্যে অনানুষ্ঠানিক চিঠি বা চিরকুটের মাধ্যমে যোগাযোগ হতে পারে।
৩. প্রবিধান - ২৩: জেলা পুলিশ অফিসার এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে সম্পর্ক।
৪. প্রবিধান - ৩৩: জনসাধারণের প্রতি আচরণ।
৫. প্রবিধান - ৩৫ (ইন্সপেক্টর জেনারেলদের ক্ষমতা): আইজি দেশের সকল জেলায় ম্যাজিস্ট্রেটের পূর্ণ ক্ষমতার অধিকারী হবেন না। তিনি পুলিশের নিয়োগ, প্রশিক্ষণ, পদোন্নতি, বদলি, শৃঙ্খলা ইত্যাদি সব ধরনের বিষয় পরিচালনা করবেন। তিনি পুলিশের জন্য বিধি প্রণয়ন করতে পারবেন এবং পুলিশ রেগুলেশনে কোনো বিষয় সংযুক্ত করার জন্য সরকারকে বলতে পারবেন।
৬. প্রবিধান - ৩৬ (এসপির ক্ষমতা ও দায়িত্ব): এসপি জেলার সার্বিক অবস্থা সম্পর্কে সজাগ থাকবেন এবং তাঁর অধীন অফিসারদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করবেন। জেলার অপরাধ নোটবই ও মানচিত্র সংরক্ষণ করবেন। সহকারী সাব-ইন্সপেক্টর ও তদূর্ধ্ব পদের অফিসারদের পদে স্থাপন, বদলি ও পদোন্নতি তাঁর দায়িত্বে হবে। জেলা পুলিশ অফিসসমূহ পরিদর্শন করবেন এবং যথাসম্ভব গোপনীয় বিষয়াদি পরিচালনা করবেন।
প্র
Board Member 1
পিআরবি-এর প্রবিধান ১০৮, ১১৮, ১৩৩, ১৩৪, ১৪৩ এবং ১৫৩ সম্পর্কে বলুন।
প্র
Candidate
এগুলোর বিবরণ নিম্নরূপ:
১. প্রবিধান - ১০৮: সরকারি নীতির সমালোচনা করা যাবে না।
২. প্রবিধান - ১১৮: অপরাধ দমন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা।
৩. প্রবিধান - ১৩৩: সভা ও শোভাযাত্রার খবর পূর্বেই দিতে হবে।
৪. প্রবিধান - ১৩৪: সভা, শোভাযাত্রা নিষিদ্ধকরণ।
৫. প্রবিধান - ১৪৩: সমাবেশ বা শোভাযাত্রা ভেঙে দেওয়া।
৬. প্রবিধান - ১৫৩: প্রাণ বা সম্পত্তি রক্ষার্থে ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষা অধিকার প্রয়োগের জন্য, অবৈধ সমাবেশসমূহ ছত্রভঙ্গ করার জন্য এবং কোন কোন পরিস্থিতিতে কাকে গ্রেফতার করার জন্য কোনো ব্যক্তি আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করতে পারবেন।
প্র
Board Member 1
পিআরবি-এর প্রবিধান ১৮৯, ২০১, ২০৫, ২০৭, ২০৮ এবং ২২০ সম্পর্কে বলুন।
প্র
Candidate
এগুলোর বিবরণ নিম্নরূপ:
১. প্রবিধান - ১৮৯ (সার্কেল ইন্সপেক্টর/এএসপির কর্তব্য): সহকারী পুলিশ সুপার তাঁর অধীন পুলিশ সদস্যদের মধ্যে শৃঙ্খলা বজায় রাখবেন, তাঁর অধীন থানাসমূহ সময়ে সময়ে পরিদর্শন করবেন, গুরুত্বপূর্ণ কোনো মামলা সচেতনতার সাথে তদন্ত করবেন, তাঁর দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকার রিপোর্ট এসপিকে অবহিত করবেন, ন্যায়সঙ্গত কোনো কাজে অন্যায়ভাবে হস্তক্ষেপ করবেন না এবং পুলিশ সদস্যদের সর্বদা সাহায্য ও নিয়ন্ত্রণ করবেন।
২. প্রবিধান - ২০১: থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (Officer in Charge - OC)।
৩. প্রবিধান - ২০৫ (ওসির দায়িত্ব): ওসি তাঁর কর্ম এলাকার মধ্যে অপরাধ দমন, অপরাধ অনুসন্ধান এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য অপরাধী, ভবঘুরে এবং ভ্রাম্যমাণ দুষ্কৃতিকারীদের তথ্য সংগ্রহ, তাঁদের উপর নজর রাখা এবং প্রয়োজনীয় আইনসঙ্গত পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। ভিলেজ ক্রাইম নোটবুক (গোপনীয় সরকারি রেকর্ড বই) ও সার্ভিসেস রেজিস্টার পরিচালনা ও পর্যবেক্ষণ করবেন।
৪. প্রবিধান - ২০৭: এএসআই’র দায়িত্ব।
৫. প্রবিধান - ২০৮: কনস্টেবলদের দায়িত্ব।
৬. প্রবিধান - ২২০: সাধারণ পোশাক পরিহিত পুলিশ অফিসারদের নিজেদের সাথে পরিচয়পত্র রাখতে হবে।
প্র
Board Member 1
এজাহার (FIR) এবং পিআরবি প্রবিধান ২৪৩ সম্পর্কে বলুন।
প্র
Candidate
প্রবিধান - ২৪৩ (এজাহারের বিবরণ): থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারায় উল্লিখিত আমলযোগ্য অপরাধ সম্পর্কিত এজাহার বিপি ফরম নম্বর ২৭ এবং বাংলাদেশ ফরম নম্বর ৫৩৫৬ এ লিপিবদ্ধ করবেন। কোনো ধর্তব্য বা আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটিত হওয়ার সংবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট মৌখিক বা লিখিতভাবে প্রদান করা হলে উক্ত সংবাদকে এজাহার (First Information Report - FIR) বলে।
প্র
Board Member 1
পিআরবি প্রবিধান ২৫০, ২৫৫, ২৫৮, ২৭২, ২৭৫, ২৮০, ২৯৯ এবং ৩০৬ সম্পর্কে বলুন।
প্র
Candidate
এগুলোর বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:
১. প্রবিধান - ২৫০ (হৈ চৈ বিজ্ঞপ্তি): কোনো পলাতক আসামিকে গ্রেফতারের জন্য অথবা চুরি বা ডাকাতির বস্তু বা মাল উদ্ধারের জন্য বিপি ফরম নম্বর ২৮ মোতাবেক পার্শ্ববর্তী থানাগুলোতে যে বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয় তাকে হৈ চৈ বিজ্ঞপ্তি (Hue & Cry Notice) বলে।
২. প্রবিধান - ২৫৫: থানা অফিসারদের দায়িত্ব।
৩. প্রবিধান - ২৫৮: পুলিশ অফিসারদের তদন্ত ক্ষমতা।
৪. প্রবিধান - ২৭২ (চার্জশিট): পুলিশ তদন্ত শেষে অপরাধের সাথে অভিযুক্তের সংশ্লিষ্টতার কোনো প্রমাণ পেলে তখন সেই প্রমাণ সম্বলিত যে প্রতিবেদন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট জমা দেয় তাকে চার্জশিট (Charge Sheet) বলে।
৫. প্রবিধান - ২৭৫ (ফাইনাল রিপোর্ট): তদন্তকারী অফিসার কর্তৃক তদন্তকৃত প্রত্যেক মামলার বিপি ৪২ নং ফরমে একটা ফাইনাল রিপোর্ট (Final Report) প্রণীত হবে যা চার্জশিটে পরিণত হবে না।
৬. প্রবিধান - ২৮০ (তল্লাশী পরোয়ানা): যখন আদালত মনে করেন যে সাধারণ তল্লাশি বা পরিদর্শন কোনো তদন্ত, বিচার বা অন্য কোনো কার্যক্রমের উদ্দেশ্যে সাধিত হবে, তখন আদালত যে পরোয়ানা প্রদান করে তাকে তল্লাশী পরোয়ানা (Search Warrant) বলে।
৭. প্রবিধান - ২৯৯ (সুরতহাল রিপোর্ট): কোনো ব্যক্তি আত্মহত্যা করলে বা খুন হলে কিংবা কোনো দুর্ঘটনায় মারা গেলে পুলিশ কিংবা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক যে রিপোর্ট লিপিবদ্ধ করা হয় তাকে সুরতহাল রিপোর্ট (Inquest Report) বলে।
৮. প্রবিধান - ৩০৬ (ময়নাতদন্ত ও রিপোর্ট): কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর কারণ সুরতহালের মাধ্যমে জানা না গেলে মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানের জন্য সিভিল সার্জন বা ক্ষমতাবান ডাক্তারের নিকট প্রেরিত লাশের মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত বিশেষজ্ঞ মতামত সম্বলিত রিপোর্টকে ময়নাতদন্ত (Post Mortem Report) বলে।
প্র
Board Member 1
পিআরবি প্রবিধান ৩৭৭, ৪৫৯, ৪৬৮, ৪৭২, ৬৫৬, ৭৩৯, ৭৪১, ৭৪২, ৭৪৫, ৭৪৬ এবং ১০২৭ সম্পর্কে বলুন।
প্র
Candidate
এগুলোর বিবরণ নিম্নরূপ:
১. প্রবিধান - ৩৭৭ (জেনারেল ডায়েরি বা জিডি): দৃষ্টান্ত পৃষ্ঠা সম্বলিত একটি মূল্যবান রেজিস্টার হলো জেনারেল ডায়েরি। কোনো ফৌজদারি অপরাধ সংঘটনের উপক্রম হলে কিংবা কোনো কিছু হারালে প্রাথমিকভাবে থানায় যে রেজিস্টার লিপিবদ্ধ করা হয় তাকে জেনারেল ডায়েরি (GD) বলে। ঘরে বসে ইন্টারনেটের মাধ্যমে সাধারণ ডায়েরি করার পদ্ধতিকে অনলাইন জিডি বলে।
২. প্রবিধান - ৪৫৯ (রাজসাক্ষী): গুরুতর অপরাধ সংগঠনকারীর কোনো সহচর যদি অপরাধের ঘটনা সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করে এবং নিজেকে জড়িয়ে সহচরদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য প্রদান করে, তাহলে তাকে রাজসাক্ষী (Approver) বলে।
৩. প্রবিধান - ৪৬৮: গ্রেফতারি পরোয়ানা (Arrest Warrant)।
৪. প্রবিধান - ৪৭২ (হুলিয়া জারি): পলাতক আসামিকে একটি নির্দিষ্ট স্থানে ও নির্দিষ্ট সময়ে (কমপক্ষে ৩০ দিনের মধ্যে) হাজির হওয়ার জন্য আদালতের সিলমোহরযুক্ত ও ম্যাজিস্ট্রেটের স্বাক্ষরযুক্ত যে পরোয়ানা ইস্যু করা হয় তাকে হুলিয়া (Proclamation) বলে।
৫. প্রবিধান - ৬৫৬: পুলিশ ক্যাডারসমূহ।
৬. প্রবিধান - ৭৩৯: সার্জেন্ট নিয়োগ।
৭. প্রবিধান - ৭৪১: সাব-ইন্সপেক্টরদের নিয়োগ (নিরস্ত্র)।
৮. প্রবিধান - ৭৪২: সহকারী সাব-ইন্সপেক্টর নিয়োগ।
৯. প্রবিধান - ৭৪৫: হেড কনস্টেবল ও নায়েক নিয়োগ।
১০. প্রবিধান - ৭৪৬: কনস্টেবল নিয়োগ।
১১. প্রবিধান - ১০২৭: পুলিশ অফিসারদের শারীরিক যোগ্যতা।