BCS ২০২৬ ফলাফল: N/A

৪৭তম বিসিএস ভাইভা অভিজ্ঞতা - ড. শাহীন চৌধুরী বোর্ড

প্রার্থী: বেনামী
বিষয়: N/A
জেলা: N/A
বোর্ড: বিজ্ঞ সদস্য ড. শাহীন চৌধুরী স্যার

ক্যাডার পছন্দের তালিকা

1. অডিট এন্ড একাউন্টস

বোর্ডের প্রশ্ন ও উত্তর

প্র Board Member 1
মাঠ পর্যায়ে বিচারকের পদসোপান বা স্তরবিন্যাস সম্পর্কে বলুন।
প্র Candidate
বাংলাদেশের মাঠ পর্যায়ে (অধস্তন আদালতে) বিচারকদের পদসোপান মূলত দুই ভাগে বিভক্ত: দেওয়ানি ও ফৌজদারি। বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) ও কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর (CrPC) অনুযায়ী মাঠ পর্যায়ে সর্বোচ্চ থেকে সর্বনিম্ন বিচারিক পদের ধাপগুলো নিচে দেওয়া হলো: দেওয়ানি আদালত (জেলা জজ আদালত): * জেলা জজ: জেলার সর্বোচ্চ দেওয়ানি বিচারক। তিনি একই সাথে দেওয়ানি ও ফৌজদারি (দায়রা জজ) উভয় দায়িত্ব পালন করেন। * অতিরিক্ত জেলা জজ: জেলা জজের সমপর্যায়ের বা তার পরের পদ। জেলা জজ কর্তৃক প্রেরিত বা অর্পিত দেওয়ানি মামলা ও আপিল নিষ্পত্তি করেন। * যুগ্ম জেলা জজ: দেওয়ানি আদালতের প্রথম স্তর, যার আর্থিক বিচারিক এখতিয়ার সবচেয়ে বেশি। * সিনিয়র সহকারী জজ: মাঝারি ধরনের আর্থিক মূল্যের দেওয়ানি মামলার বিচারক। * সহকারী জজ: দেওয়ানি আদালতের প্রবেশ বা শুরুর স্তর। ফৌজদারি আদালত (ম্যাজিস্ট্রেসি): মাঠ পর্যায়ে ফৌজদারি বিচারব্যবস্থাকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে: বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট (Judicial Magistrate) ও দায়রা জজ (Sessions Judge)। ১. দায়রা জজ আদালত: * দায়রা জজ: জেলার সর্বোচ্চ ফৌজদারি বিচারক (যিনি দেওয়ানি ক্ষেত্রে জেলা জজ)। মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ সব ধরনের সাজা দিতে পারেন। * অতিরিক্ত দায়রা জজ: দায়রা জজের ঠিক পরের পদে থেকে ফৌজদারি মামলা ও আপিল শুনানি করেন। ২. বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট (জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট) আদালত: * চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (CJM): জেলার প্রধান বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট। জেলায় অপরাধ সংক্রান্ত বিচারিক কার্যক্রম ও অন্যান্য ম্যাজিস্ট্রেটদের প্রশাসনিক তদারকি করেন। * অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট: চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনস্থ বা তার পরের পদ। * সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট: চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের সহযোগী বিচারক, যিনি তুলনামূলক জটিল ফৌজদারি অপরাধের বিচার করেন। * জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট / প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট: বিচার বিভাগে প্রবেশকালীন স্তর। জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে শিক্ষানবিশকাল পার করার পর সাধারণত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা দেওয়া হয়।
প্র Board Member 1
সাংবিধানিক সুপ্রিমেসি, বিচারবিভাগীয় সুপ্রিমেসি আর সংসদীয় সুপ্রিমেসি কোনটি আছে বাংলাদেশে?
প্র Candidate
বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থায় সাংবিধানিক সুপ্রিমেসি বা সংবিধানের প্রাধান্য বলবৎ রয়েছে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংবিধানই দেশের সর্বোচ্চ আইন। রাষ্ট্রপতির আদেশ, সংসদের প্রণীত আইন কিংবা বিচার বিভাগের রায়—সবকিছুই সংবিধানের অধীনে এবং সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক হলে তা বাতিল বলে গণ্য হয়।
প্র Board Member 1
সাংবিধানিক সুপ্রিমেসি কোন অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
প্র Candidate
৭ নম্বর অনুচ্ছেদে।
প্র Board Member 1
কীভাবে সংবিধান পরিবর্তন করা যায়, তাহলে সাংবিধানিক সুপ্রিমেসি কীভাবে থাকলো?
প্র Candidate
সংবিধানের ১৪২ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ সংবিধান সংশোধন করতে পারে, তবে এই সংশোধনের ক্ষমতাও সংবিধান নিজেই সংসদকে প্রদান করেছে। অর্থাৎ, সংসদ সংবিধানের অধীনে থেকেই এটি পরিবর্তন করতে পারে, সংবিধানের উপরে গিয়ে নয়। তাছাড়া সংবিধানের মৌলিক কাঠামো (Basic Structure) পরিবর্তন করার ক্ষমতা সংসদের নেই। তাই সংবিধান পরিবর্তন করা গেলেও সাংবিধানিক সুপ্রিমেসি অক্ষুণ্ণ থাকে।
প্র Board Member 1
সরকারি কর্মচারীদের দায়িত্ব সংবিধানের কত নাম্বারে? কী আছে সেখানে?
প্র Candidate
সরকারি কর্মচারীদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে বলা হয়েছে বাংলাদেশের সংবিধানের ২১ নম্বর অনুচ্ছেদে। এই অনুচ্ছেদে নাগরিকদের সাধারণ কর্তব্যের পাশাপাশি প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের বিশেষ দায়িত্বের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। অনুচ্ছেদের বিস্তারিত বিষয়গুলো হলো: * জনগণের সেবা করা: ২১(২) নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, 'প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির সর্বদা জনগণের সেবা করিবার চেষ্টা করা কর্তব্য।' * সার্বজনীন দায়িত্ব: সরকারি কর্মচারীদের তাদের কাজের জন্য সরাসরি জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ রাখা হয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা যেন সবসময় জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করেন।
প্র Board Member 1
বাংলাদেশে অস্থিরতা আছে কি না? কেন?
প্র Candidate
হ্যাঁ, বাংলাদেশে বর্তমানে নানা ধরনের অস্থিরতা বিরাজ করছে। ২০২৪ সালের জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানে দীর্ঘদিনের স্বৈরাচারী সরকারের পতনের পর দেশটিতে বড় ধরনের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তন এসেছে।
প্র Board Member 1
এই অস্থিরতার মূল কারণগুলো কী কী?
প্র Candidate
অস্থিরতার মূল কারণগুলো হলো: * অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ: মূল্যস্ফীতি, নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতি এবং ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের মতো বিষয়গুলো সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করেছে। * রাজনৈতিক ও কাঠামোগত পরিবর্তন: নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর রাজনৈতিক অঙ্গনে এখনও পূর্ণাঙ্গ স্থিতিশীলতা আসেনি। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক গোষ্ঠী নানা দাবি-দাওয়া নিয়ে রাজপথে বিক্ষোভ করায় প্রায়ই জনজীবনে ব্যাঘাত ঘটছে। * আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি: মাঝে মাঝেই বিভিন্ন স্থানে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং সামাজিক অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে। * আন্তর্জাতিক চাপ ও ভূরাজনীতি: আন্তর্জাতিক বিভিন্ন শক্তির ভূরাজনৈতিক টানাপোড়েন এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে সম্পর্কের ওঠানামা দেশের অর্থনীতি ও নিরাপত্তায় প্রভাব ফেলছে।
প্র Board Member 1
বাংলাদেশের একটা প্রধান সমস্যা কী?
প্র Candidate
বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান ও মূল সমস্যা হলো ব্যাপক দুর্নীতি এবং সুশাসনের অভাব। এর ফলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অর্থনীতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নানা জটিলতা তৈরি হচ্ছে এবং দেশের টেকসই উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
প্র Board Member 1
অডিটর হিসেবে কীভাবে জনগণের সেবা করবেন?
প্র Candidate
অডিটর বা নিরীক্ষক হিসেবে সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে জনগণের সরাসরি সেবা করা সম্ভব।
প্র Board Member 1
আপনার কোথায় পোস্টিং? সেই জেলার কী সমস্যা ছিল? সরকারি কর্মচারীদের ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট আপনার চাকরির আলোকে বলুন।
প্র Candidate
[প্রার্থী তার বর্তমান কর্মস্থল, পোস্টিংয়ের জেলা এবং সেই জেলার সুনির্দিষ্ট সমস্যা ও নিজের পেশাগত অভিজ্ঞতার আলোকে ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্টের বিষয়টি ব্যাখ্যা করবেন।]
প্র Board Member 1
দুর্নীতি সুশাসনের অন্তরায় কেন?
প্র Candidate
দুর্নীতি হলো রাষ্ট্র ও সমাজের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং আইনের শাসনের পরিপন্থী। এটি সুশাসনের ভিত্তিকে দুর্বল করে দেয়, যার ফলে সুশাসনের মূল স্তম্ভগুলো ভেঙে পড়ে।
প্র Board Member 1
কীভাবে সুশাসন নিশ্চিত করবেন?
প্র Candidate
স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, আইনের শাসন এবং জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। সুশাসনের মূল ভিত্তি ও করণীয়গুলো হলো: * স্বচ্ছতা ও তথ্য অধিকার: রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি কার্যক্রমের তথ্য সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত রাখতে হবে। তথ্য অধিকার আইনের যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে দুর্নীতির সুযোগ অনেকাংশে কমিয়ে আনা যায়। * স্বাধীন বিচার বিভাগ: আইনের চোখে সবাই সমান—এই নীতির বাস্তবায়নে একটি শক্তিশালী ও স্বাধীন বিচার বিভাগ অপরিহার্য। * দুর্নীতি দমন ও আইনের প্রয়োগ: দুর্নীতি প্রতিরোধে কঠোর আইনি কাঠামো গঠন এবং তার নিরপেক্ষ প্রয়োগ নিশ্চিত করা জরুরি। * নাগরিকদের অংশগ্রহণ: নীতি নির্ধারণী প্রক্রিয়া ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে সাধারণ জনগণের, বিশেষ করে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর মতামত ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। * জবাবদিহিতা: সরকারি কর্মকর্তা এবং রাজনীতিবিদদের কৃতকর্মের জন্য জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ থাকতে হবে। প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা সম্ভব।
প্র Board Member 1
কীভাবে চাকরিতে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবেন?
প্র Candidate
চাকরিতে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ, নিয়মিত অগ্রগতি পর্যালোচনা, স্বচ্ছ কাজের পরিবেশ তৈরি এবং পুরস্কার ও শাস্তির ব্যবস্থা করা অত্যন্ত জরুরি।
প্র Board Member 1
অডিটিং এর ৩টি স্ট্যান্ডার্ড কী?
প্র Candidate
অডিটিং বা হিসাব নিরীক্ষার মূল মানদণ্ডগুলোকে সাধারণত ১০টি সাধারণ গৃহীত অডিটিং স্ট্যান্ডার্ডস (GAAS)-এর অধীনে ৩টি প্রধান ভাগে ভাগ করা হয়। এগুলো হলো: ১. সাধারণ মানদণ্ড (General Standards): এটি নিরীক্ষকের ব্যক্তিগত যোগ্যতা, পেশাদারিত্ব এবং দক্ষতার সাথে সম্পর্কিত। * প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা: নিরীক্ষককে অবশ্যই পর্যাপ্ত কারিগরি প্রশিক্ষণ এবং অডিটিংয়ে দক্ষতা সম্পন্ন হতে হবে। * স্বাধীনতা: নিরীক্ষা কার্য পরিচালনার সময় নিরীক্ষককে সব ধরনের মানসিক ও বাহ্যিক প্রভাব থেকে সম্পূর্ণ স্বাধীন বা নিরপেক্ষ থাকতে হবে। * পেশাদার সতর্কতা: নিরীক্ষা কার্য ও রিপোর্ট প্রস্তুতির প্রতিটি ধাপে পেশাদারিত্বের সাথে যথাযথ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। ২. মাঠপর্যায়ের মানদণ্ড (Standards of Field Work): এটি মাঠপর্যায়ে বা সরাসরি প্রতিষ্ঠানের ভেতরে অডিট পরিচালনার নিয়মকানুন নির্ধারণ করে। * পরিকল্পনা ও তত্ত্বাবধান: অডিট কাজ শুরুর আগে যথাযথ পরিকল্পনা করতে হবে এবং সহকারীদের নিবিড় তত্ত্বাবধান নিশ্চিত করতে হবে। * অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা: প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণের রূপরেখা বুঝতে হবে এবং সেই অনুযায়ী পরীক্ষার পরিধি নির্ধারণ করতে হবে। * যথেষ্ট প্রমাণ সংগ্রহ: যুক্তিসংগত মতামত প্রদানের জন্য নিরীক্ষককে পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ ও দলিলপত্র পর্যবেক্ষণ করতে হবে। ৩. রিপোর্টিংয়ের মানদণ্ড (Standards of Reporting): এটি অডিট শেষে চূড়ান্ত রিপোর্ট বা প্রতিবেদন তৈরির নিয়মাবলী নির্দেশ করে। * হিসাববিজ্ঞান নীতির সামঞ্জস্য: আর্থিক বিবরণীগুলো স্বীকৃত হিসাববিজ্ঞান নীতি (GAAP বা IFRS) মেনে তৈরি করা হয়েছে কি না, তা উল্লেখ করতে হবে। * নিরীক্ষকের মতামত: অডিট শেষে প্রাপ্ত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে চূড়ান্ত মতামত বা মন্তব্য (Opinion) স্পষ্টভাবে প্রকাশ করতে হবে।
প্র Board Member 1
বাজেটে অডিটের কি ভূমিকা?
প্র Candidate
বাজেটে অডিট বা নিরীক্ষার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মূলত বাজেট প্রণয়নের নির্ভুলতা যাচাই, আর্থিক শৃঙ্খলা রক্ষা এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে অডিট একটি শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে।
প্র Board Member 1
আপনার সেকেন্ড চয়েজ কী?
প্র Candidate
[প্রার্থী তার দ্বিতীয় পছন্দক্রম উল্লেখ করবেন।]
প্র Board Member 1
সোশ্যাল মিডিয়ার সুফল ও কুফল কী?
প্র Candidate
সোশ্যাল মিডিয়ার সুফল ও কুফল উভয়ই রয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ার সুফল: * যোগাযোগের সুবিধা: বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে থাকা বন্ধু বা পরিবারের সাথে বিনামূল্যে এবং তাৎক্ষণিকভাবে যোগাযোগ করা যায়। * তথ্য ও শিক্ষা: খুব দ্রুত নতুন খবর, জ্ঞান ও বিভিন্ন শিক্ষণীয় বিষয় সম্পর্কে জানা যায়। * ব্যবসা ও কর্মসংস্থান: ঘরে বসেই ডিজিটাল মার্কেটিং, অনলাইন শপ বা ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে আয় করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। * মতামত প্রকাশ: সাধারণ মানুষ তাদের সৃজনশীলতা, প্রতিভা ও মতামত সহজে সবার সামনে তুলে ধরতে পারে। সোশ্যাল মিডিয়ার কুফল: * আসক্তি ও সময় অপচয়: একটানা দীর্ঘ সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় স্ক্রল করার ফলে সময়ের অপচয় হয় এবং পড়াশোনা বা কাজের ক্ষতি হতে পারে। * মানসিক সমস্যা: অন্যের নিখুঁত জীবনের সাথে নিজের জীবনের তুলনা করে অনেক সময় হতাশা, একাকীত্ব ও উদ্বেগের মতো সমস্যা দেখা দেয়। * ভুল তথ্যের বিস্তার: যাচাই-বাছাই ছাড়া অনেক সময় গুজব বা ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে পড়ে, যা সমাজে বিভ্রান্তি তৈরি করে। * সাইবার বুলিং ও নিরাপত্তা ঝুঁকি: ব্যক্তিগত ছবি বা তথ্য অপব্যবহার হতে পারে এবং অনেক সময় অনলাইনে কটূক্তি বা হয়রানির শিকার হতে হয়।
প্র Board Member 1
ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ কি?
প্র Candidate
ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ হলো এমন একটি প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে রাষ্ট্রের বা কোনো প্রতিষ্ঠানের সমস্ত ক্ষমতা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের দায়িত্ব শীর্ষ পর্যায় থেকে আঞ্চলিক বা স্থানীয় পর্যায়ে হস্তান্তর করা হয়।
প্র Board Member 1
কপিরাইট আইন কেন প্রয়োজন?
প্র Candidate
কপিরাইট আইন হলো এমন একটি আইনি সুরক্ষা ব্যবস্থা, যা একজন সৃষ্টিকর্তাকে তার মৌলিক সাহিত্য, শিল্প, সঙ্গীত বা সফটওয়্যারের ওপর একচেটিয়া মালিকানা প্রদান করে।
প্র Board Member 1
অরেঞ্জ ইকোনমি কী?
প্র Candidate
অরেঞ্জ ইকোনমি বা কমলা অর্থনীতি হলো মূলত সৃজনশীলতা, মেধা, সংস্কৃতি এবং বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তির (Intellectual Property) ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা অর্থনৈতিক খাত। প্রথাগত ভৌত পণ্যের ওপর নির্ভর না করে, এটি আইডিয়া ও শৈল্পিক অভিব্যক্তি থেকে অর্থনৈতিক মূল্য তৈরি করে।